আমাদের সম্পর্কে হোম /আমাদের সম্পর্কে

পরিচালকের বার্তা

জ্ঞান অর্জনের একমাত্র পথ হল শিক্ষা। শিক্ষা মানুষের অন্যতম মৌলিক চাহিদা। যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তির প্রতিযোগীতায় নিজের স্থানটি অক্ষুন্ন রেখে টিকে থাকতে হলে গুণগত মান সম্পন্ন শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। শিক্ষা ক্ষেত্রে লক্ষণীয় অগ্রগতির পেছনে সরকারের সাথে সাথে বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি উদ্যোক্তাদের অবদান কম নয়। আজকের শিশু আগামী দিনের দেশ ও জাতির কর্ণধার। ভবিষ্যতে তারাই দেশ ও জাতির প্রত্যাশা পূরণে গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তাই শিশু কিশোরদের শিক্ষিত সুনাগরিক ও অনুপম চরিত্র গঠনের উপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা ওশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন। এ লক্ষেকে সামনে রেখেই প্রচলিত শিক্ষার সাথে সামাজিক ও ধর্মীয় মুল্যবোধ সমৃদ্ধ আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সমন্বয়ে ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে হাজী আমান উল্লাহ মডেল স্কুল৷  প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও স্বতন্ত্রতায় শিক্ষার্থীদের বহুমুখী সুপ্ত প্রতিভাকে বিকশিত করার নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটির গুনগত মান অক্ষুন্ন রেখে এগিয়ে যাচ্ছে। আগামীতেও আমাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে ইনশা আল্লাহ।


এম মাজহারুল ইসলাম

-         প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও প্রধান শিক্ষক

সভাপতির বার্তা

শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। শিক্ষার্থীরা জাতির জন্য এক উজ্জ্বল নক্ষত্র স্বরূপ। তাদের সুষ্ঠু মানসিক গঠন উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজন মানসস্মত শিক্ষা পদ্ধতি ও একটি ভাল মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। যে প্রতিষ্ঠানটি   পরিচালনার জন্য একদিকে যেমন প্রয়োজন দক্ষ ও প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা তেমনি অপর দিকে প্রয়োজন সুশৃঙ্খল নিয়ম কানুন, ছাত্র-ছাত্রীদের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ছাত্র-ছাত্রীদের ধারণ উপযোগী স্কুল ভবন ও উপযুক্ত পরিবেশ।

 

অদক্ষ ব্যবস্থাপনা, অপর্যাপ্ত পরিসর এবং  প্রশিক্ষণ বিহীন শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়ে গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠান গুলোতে শিশুরা মৌলিক শিক্ষা থেকে হয় বঞ্চিত আর অভিভাবকরা হন বিভ্রান্তের স্বীকার।

 

আপনার সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যত গড়তে আপনারা সঠিক সিদ্ধান্ত সহায়ক ভুমিকা পালন করবেন।

আপনার সন্তানকে ভবিষ্যতের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে “হাজী আমান উল্লাহ মডেল স্কুল” দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।



হাজী মো: আমান উল্লাহ

- সভাপতি

পটভূমি...

জাতির ভাগ্য উন্নয়নে ও সঠিক দিক নির্দশনা য়শিক্ষার গুরত্ব অপরিসীম। প্রকৃত শিক্ষা লাভের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান,দক্ষতা, নৈতিক চেতনা ও মূল্যবোধের বিকাশ ঘটে। সকল শিশুর মধ্যেই কিছুনা কিছু প্রতিভা রয়েছে। এই সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ও সুষ্ঠু শিক্ষা লাভের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ ও ক্ষেত্র। আগামী দিনের উজ্জ্বল সম্ভবনাময় শিক্ষার্থী তৈরি কর‍তে আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অনস্বীকার্য। শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফুর্ত ভাবে শিক্ষাজীবনে যেনপদার্পণ করতে পারে এ উদ্দেশ্যে "হাজী আমান উল্লাহ মডেল স্কুল" এর প্রতিষ্ঠা ২০১৪ সালে। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি আজ পর্যন্ত স্বকীয় বৈশিষ্ট্য ও সুনাম অক্ষুন্ন রেখে তার কার্যক্রম সস্প্রসারিত করে যাচ্ছে ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায়।

আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষাব্যবস্থা

আলহামদুল্লিাহ আমরা আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজিয়েছি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক কারিকুলামে

মানসম্মত ও গ্রহণযোগ্য সিলেবাস

আমাদের রয়েছে অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ও মানসম্মত সিলেবাস। সিলেবাস সময়পযোগী রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন আমাদের সম্মানিত শিক্ষকমন্ডলী

আমাদের লক্ষ ও উদ্দেশ্য...

শিক্ষা জীবনের প্রথম স্তর থেকে উন্নত ও পদ্ধতিগত শিক্ষাদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা অর্জনের ভীত মজবুত ও বলিষ্ঠ করা। সমাজ সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ শিক্ষার পরিবেশ সৃষ্টি করে ছাত্র-ছাত্রীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যত তৈরিতে উদ্ধুদ্ধ করা।

 

উন্নত শিক্ষার অভাবে জন্মগত ভাবে পাওয়া সৃজনশীল ক্ষমতা অকালে ঝরে পড়ে যায়। সযত্নে এ সমস্ত ছেলে মেয়েদেরকে উপযোগী জ্ঞান এ বিজ্ঞানদক্ষতা অর্জনে সহায়তা করা।

 

সর্বোপরি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, কল্পনা, সৃজনশক্তির লালন, বিকাশ ও প্রসার সাধনে তৎপর থেকে আদর্শ, ন্যায় পরায়ণ ও সত্যনিষ্ঠ মানুষ হিসেবে সুমহান আস্থা তৈরিতে সচেষ্ট থাকা। 

আমাদের বৈশিষ্ট্যসমূহ...

০১। স্কুলের ভিতরে সুন্দর ও মনোরম পরিবেশ।

০২। প্রাশিক্ষণ প্রাপ্ত  ও অভিজ্ঞ শিক্ষক-শিক্ষকা দ্বারা পাঠ দান। 

০৩। আসন সংখ্যা প্রতি শ্রেণীতে ২০ থেকে ৩০ জন।

০৪। ইংরেজী ও ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি কম্পিউটার শিক্ষার সু-ব্যবস্থা।

০৫। অমনোযোগী শিক্ষার্থীদের মনোবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে শিক্ষা দান।

০৬। বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা/বনভোজন/মিলাদ মাহফিল/নবীনবরণ/ এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান সহ ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য রয়েছে বিভিন্ন শিক্ষামূলক বিনোদনের ব্যবস্থা।

৭। প্রতিষ্ঠানে অবস্থা কালীন জরুরী প্রয়োজনে চিকিৎসার সু-ব্যবস্থা এবং শিক্ষার্থীদের বাড়ী পৌঁছে দেওয়া হয়।

৮। দেশের প্রথম সারির স্কুল সমূহের অনুরূপ যুগোপযোগী সিলেবাস অনুযায়ী  পাঠদান।

৯। বিদ্যালয়ে রয়েছে বিশুদ্ধ ঠান্ডা ও গরম পানিরসু-ব্যবস্থা।

১০। ৫ম, ৮ম, ৯ম ও ১০ম শ্রেণীতে স্পেশাল ক্লাসের ব্যবস্থা।

১১। সিসি টিভির মাধ্যমে সর্বাক্ষনিক ক্লাস পর্যবেক্ষণ।

১২। ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য স্কুলের ডায়েরী

১৩। ক্লাস শুরুর ১০ মিনিট আগে ক্লাসে প্রবেশ এবং কোরআন তিলাওয়াত জাতীয় সঙ্গীত ও শপথবাক্য পাঠ করে দৈনিন্দিন কার্যক্রম শুরু করা হয়।

১৪। বিদ্যালয়ের কালচারাল ক্লাস, (নাচগাননাটকআবৃত্তিড্রইংহামদ-নাতকনভারসেশনবিতর্ক প্রতিযোগীতা) ইত্যাদির সু-ব্যবস্থা।

১৫। বিদ্যালয়ে কোন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকলে ফোনের মাধ্যমে তাদের সাথে যোগাযোগ করা হয়।

১৬। কোরআন শিক্ষার ব্যবস্থা।

১৭। বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ল্যাবেরেটরী কক্ষ আছে।

১৮। ল্যবরেটরী কক্ষে ব্যবহারিক ক্লাস নেওয়া হয়।

১৯। মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠদানের সু-ব্যবস্থা।

২০। তথ্য ও যোগাযো প্রযুক্তি এবং কম্পিউটার ল্যাবের সু-ব্যবস্থা।

২১।  নির্ধারিত দিন ও তারিখে ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক।

২২।  বিদ্যালয়ে কোন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকলে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাদের অভিভাবকদের অবহিত করা হয়।

২৩। বিদ্যালয়ের নিরাপত্তার জন্য সর্বাক্ষনিক গেটে সিকিউরিটি গার্ড এর ব্যবস্থা রিয়েছে।

২৪। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন আনা ও ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষেধ।

২৫। শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষাআচার-আচারণসামাজিক মূল্যবোধধর্মীয় নিরপেক্ষতাজেন্ডার সচেতনতা বিষয় গুলোতে অধিক দৃষ্টি প্রদর্শন করাই বিদ্যালয়ের মুখ্য বৈশিষ্ট্য।

২৬। ছেলে ও মেয়েদের জন্য আলাদা ওয়াশরুমের ব্যবস্থা রয়েছে।