জাতির ভাগ্য উন্নয়নে ও সঠিক দিক নির্দশনা য়শিক্ষার গুরত্ব অপরিসীম। প্রকৃত শিক্ষা লাভের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান,দক্ষতা, নৈতিক চেতনা ও মূল্যবোধের বিকাশ ঘটে। সকল শিশুর মধ্যেই কিছুনা কিছু প্রতিভা রয়েছে। এই সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ও সুষ্ঠু শিক্ষা লাভের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ ও ক্ষেত্র। আগামী দিনের উজ্জ্বল সম্ভবনাময় শিক্ষার্থী তৈরি করতে আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অনস্বীকার্য। শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফুর্ত ভাবে শিক্ষাজীবনে যেনপদার্পণ করতে পারে এ উদ্দেশ্যে "হাজী আমান উল্লাহ মডেল স্কুল" এর প্রতিষ্ঠা ২০১৪ সালে। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি আজ পর্যন্ত স্বকীয় বৈশিষ্ট্য ও সুনাম অক্ষুন্ন রেখে তার কার্যক্রম সস্প্রসারিত করে যাচ্ছে ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায়।
একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা ও মেধার সঠিক বিকাশ সাধন এবং নৈতিকতার আত্মবিশ্বাসী সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষে বিজ্ঞান ভিত্তিক শ্রেণি কার্যক্রম, পদ্ধতিগত শিক্ষা, নিয়মিত পরীক্ষা, ধারাবাহিক অনুশীলন, আধুনিক শিক্ষা উপকরণ ব্যবহার পূর্বক পাঠদান করাহয় রাজনীতি ও ধূমপান মুক্ত, নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল শিক্ষা পরিবেশ।
সুপরিকল্পিত শিক্ষা পদ্ধতি, দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষকমন্ডলীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এখানে শিক্ষার সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। বিদ্যালয়ের আভ্যন্তরীন পরীক্ষা সহ পিইসি, জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল অত্যন্ত ভাল। সকল পাবলিক পরীক্ষায় বিগত বছরগুলোতে প্রায় শতভাগ সাফল্য আমাদের একটি বড় অর্জন । তবে শুধু ভাল ফল অর্জনই নয়, মানসম্মত শিক্ষা ও প্রযুক্তিনির্ভর জ্ঞানার্জনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদেরকে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের অন্যতম লক্ষ্য । আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি । আশা করছি অচিরেই এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তাদের প্রতিভা বিকাশে উজ্জ্বল স্বাক্ষর রাখার পাশাপশি নিজেদেরকে ভাল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হবে ইনশা আল্লাহ।
আমাদের লক্ষ ও উদ্দেশ্য...
শিক্ষা জীবনের প্রথম স্তর থেকে উন্নত ও পদ্ধতিগত শিক্ষাদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা অর্জনের ভীত মজবুত ও বলিষ্ঠ করা। সমাজ সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ শিক্ষার পরিবেশ সৃষ্টি করে ছাত্র-ছাত্রীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যত তৈরিতে উদ্ধুদ্ধ করা।
উন্নত শিক্ষার অভাবে জন্মগত ভাবে পাওয়া সৃজনশীল ক্ষমতা অকালে ঝরে পড়ে যায়। সযত্নে এ সমস্ত ছেলে মেয়েদেরকে উপযোগী জ্ঞান এ বিজ্ঞানদক্ষতা অর্জনে সহায়তা করা।
সর্বোপরি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, কল্পনা, সৃজনশক্তির লালন, বিকাশ ও প্রসার সাধনে তৎপর থেকে আদর্শ, ন্যায় পরায়ণ ও সত্যনিষ্ঠ মানুষ হিসেবে সুমহান আস্থা তৈরিতে সচেষ্ট থাকা।
আমাদের বৈশিষ্ট্যসমূহ...
০১। স্কুলের ভিতরে সুন্দর ও মনোরম পরিবেশ।
০২। প্রাশিক্ষণ প্রাপ্ত ও অভিজ্ঞ শিক্ষক-শিক্ষকা দ্বারা পাঠ দান।
০৩। আসন সংখ্যা প্রতি শ্রেণীতে ২০ থেকে ৩০ জন।
০৪। ইংরেজী ও ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি কম্পিউটার শিক্ষার সু-ব্যবস্থা।
০৫। অমনোযোগী শিক্ষার্থীদের মনোবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে শিক্ষা দান।
০৬। বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা/বনভোজন/মিলাদ মাহফিল/নবীনবরণ/ এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান সহ ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য রয়েছে বিভিন্ন শিক্ষামূলক বিনোদনের ব্যবস্থা।
৭। প্রতিষ্ঠানে অবস্থা কালীন জরুরী প্রয়োজনে চিকিৎসার সু-ব্যবস্থা এবং শিক্ষার্থীদের বাড়ী পৌঁছে দেওয়া হয়।
৮। দেশের প্রথম সারির স্কুল সমূহের অনুরূপ যুগোপযোগী সিলেবাস অনুযায়ী পাঠদান।
৯। বিদ্যালয়ে রয়েছে বিশুদ্ধ ঠান্ডা ও গরম পানিরসু-ব্যবস্থা।
১০। ৫ম, ৮ম, ৯ম ও ১০ম শ্রেণীতে স্পেশাল ক্লাসের ব্যবস্থা।
১১। সিসি টিভির মাধ্যমে সর্বাক্ষনিক ক্লাস পর্যবেক্ষণ।
১২। ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য স্কুলের ডায়েরী।
১৩। ক্লাস শুরুর ১০ মিনিট আগে ক্লাসে প্রবেশ এবং কোরআন তিলাওয়াত জাতীয় সঙ্গীত ও শপথবাক্য পাঠ করে দৈনিন্দিন কার্যক্রম শুরু করা হয়।
১৪। বিদ্যালয়ের কালচারাল ক্লাস, (নাচ, গান, নাটক, আবৃত্তি, ড্রইং, হামদ-নাত, কনভারসেশন, বিতর্ক প্রতিযোগীতা) ইত্যাদির সু-ব্যবস্থা।
১৫। বিদ্যালয়ে কোন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকলে ফোনের মাধ্যমে তাদের সাথে যোগাযোগ করা হয়।
১৬। কোরআন শিক্ষার ব্যবস্থা।
১৭। বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ল্যাবেরেটরী কক্ষ আছে।
১৮। ল্যবরেটরী কক্ষে ব্যবহারিক ক্লাস নেওয়া হয়।
১৯। মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠদানের সু-ব্যবস্থা।
২০। তথ্য ও যোগাযো প্রযুক্তি এবং কম্পিউটার ল্যাবের সু-ব্যবস্থা।
২১। নির্ধারিত দিন ও তারিখে ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক।
২২। বিদ্যালয়ে কোন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকলে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাদের অভিভাবকদের অবহিত করা হয়।
২৩। বিদ্যালয়ের নিরাপত্তার জন্য সর্বাক্ষনিক গেটে সিকিউরিটি গার্ড এর ব্যবস্থা রিয়েছে।
২৪। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন আনা ও ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষেধ।
২৫। শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা, আচার-আচারণ, সামাজিক মূল্যবোধ, ধর্মীয় নিরপেক্ষতা, জেন্ডার সচেতনতা বিষয় গুলোতে অধিক দৃষ্টি প্রদর্শন করাই বিদ্যালয়ের মুখ্য বৈশিষ্ট্য।
২৬। ছেলে ও মেয়েদের জন্য আলাদা ওয়াশরুমের ব্যবস্থা রয়েছে।
